জন্মকুণ্ডলীর ডিগ্রি কী জানায়
১৪° বৃষের মতো অবস্থান পড়তে শিখুন এবং পুরো রাশিচক্র ধরে মাপা ডিগ্রির সঙ্গে তার পার্থক্য বুঝুন।
ধাপ 1
একটি বৃত্ত দিয়ে শুরু করুন
রাশিচক্র হলো ৩৬০ ডিগ্রির একটি বৃত্ত, যা সমান ১২টি রাশিতে ভাগ করা। প্রতিটি রাশি ৩০ ডিগ্রির। প্রথাগত ক্রম শুরু হয় মেষ দিয়ে। রিপোর্টের কোনো সংখ্যা পুরো বৃত্তের শুরু থেকে দূরত্ব অথবা একটি রাশির শুরু থেকে দূরত্ব—যেকোনোটি বোঝাতে পারে। আপনার রিপোর্টে কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে, দেখুন।
ধাপ 2
ডিগ্রি থেকে রাশির অবস্থান বের করুন
ধরুন, কোনো বিন্দু মেষের শুরু থেকে ৪৪ ডিগ্রি দূরে রয়েছে। প্রথম ৩০ ডিগ্রি মেষ রাশির, তাই ৩০ বাদ দিন। বাকি থাকে ১৪। অর্থাৎ বিন্দুটি বৃষ রাশির ১৪ ডিগ্রিতে, রাশিটির মাঝামাঝির একটু আগে রয়েছে।
ধাপ 3
ছোট ভাগগুলিও দেখুন
অনুবাদকের টীকায় প্রতিটি ৩০ ডিগ্রির রাশির আরও সূক্ষ্ম ভাগের কথা আছে: ১৫°-এর দুটি অর্ধাংশ, ১০°-এর তিনটি অংশ, ৩°২০′-এর নয়টি অংশ, ২°৩০′-এর বারোটি অংশ এবং ১°-এর ত্রিশটি অংশ। বৃষের ১৪°-এ থাকা বিন্দুটি প্রথম অর্ধাংশ ও দ্বিতীয় তৃতীয়াংশে পড়ে। ডিগ্রি থেকেই এই সব ভাগ নির্ধারিত হয়।
ধাপ 4
নিজের রিপোর্টে অনুশীলন করুন
জন্মকুণ্ডলীর ছাপানো রিপোর্ট থাকলে তালিকার একটি ডিগ্রি বেছে নিয়ে নিজে রূপান্তরটি করুন। হাতে হিসাব মিলিয়ে দেখলে বিষয়টি ভালো বোঝা যায় এবং টাইপ করার বা সফটওয়্যারের ভুল ধরতেও সুবিধা হয়।
একই রাশিচক্র ও অয়নাংশের সেটিংস দিয়ে গণনা করা অবস্থানগুলির তুলনা করুন। নির্ভুল স্থানাঙ্ক একটি অবস্থান জানায়; তা জ্যোতিষের ব্যাখ্যাকে যাচাইকৃত ভবিষ্যদ্বাণী করে তোলে না।