পঞ্চাঙ্গে যোগ বলতে কী বোঝায়
পঞ্জিকার যোগ সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান যোগ করে পাওয়া যায়। এখানে যোগ হলো পঞ্চাঙ্গের একটি মাপ; ব্যায়াম বা জন্মকুণ্ডলীতে গ্রহের বিশেষ সমন্বয় নয়।
ধাপ 1
দুটি অবস্থান যোগ করুন
একই ছক থেকে একই মুহূর্তের সূর্য ও চন্দ্রের নিরয়ণ দ্রাঘিমা নিন এবং যোগ করুন। মোট ৩৬০° বা বেশি হলে ৩৬০° বাদ দিন; ঠিক ৩৬০° হলে তা ০° হবে। দুটি অবস্থানেই একই রাশিচক্রের পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
ধাপ 2
২৭টি অংশে ভাগ করুন
প্রতিটি অংশ ১৩°২০′ বা ৮০০ কৌণিক মিনিটের। এই মিনিট কোণ মাপে, ঘড়ির সময় নয়। মোট মানকে কৌণিক মিনিটে বদলে নিলে ১৩°২০′-কে দশমিকে আনুমানিক না করেই ৮০০ দিয়ে ভাগ করা যায়। পুরো বৃত্তে এমন ২৭টি অংশ থাকে।
ধাপ 3
একটি উদাহরণ হিসাব করুন
সূর্য ১০০° এবং চন্দ্র ১৫০°-এ হলে যোগফল ২৫০°, অর্থাৎ ১৫,০০০′। ৮০০ দিয়ে ভাগ করলে ১৮টি পূর্ণ অংশ ও ৬০০′ অবশিষ্ট থাকে। তাই বর্তমান যোগের নম্বর ১৯। ঠিক ২৪০° থেকে এই অংশটিই শুরু হয়; ঠিক ৩৬০°-এ আবার প্রথম যোগ শুরু হয়।
ধাপ 4
পঞ্চাঙ্গের তথ্য ব্যবহার করুন
পঞ্চাঙ্গের যোগের তালিকা থেকে অংশটির নাম দেখুন। তারপর তার শেষ হওয়ার সময় ও সময় অঞ্চল যাচাই করুন। অবশিষ্ট কৌণিক মান জানায় অংশটির কতটা পেরিয়েছে; এটি ঘড়িতে বাকি থাকা মিনিটের সংখ্যা নয়।