স্থানবল: পাঁচটি আলাদা পরিচয় বুঝুন
এই অংশে পাঁচটি নির্দিষ্ট শর্ত দিয়ে গ্রহের অবস্থান শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে; এটিই স্থানবল। স্বরাশি ও স্বনবাংশ তালিকার দুটি আলাদা বিষয়।
ধাপ 1
পাঁচটি শব্দ চিনে নিন
১৯ নম্বর শ্লোকে এই শর্তগুলির নাম রয়েছে, তবে কোনো সংখ্যাভিত্তিক নম্বর দেওয়া নেই।
| পরিভাষা | কী বোঝায় |
|---|---|
| উচ্চরাশি | গ্রহটির জন্য নির্ধারিত উচ্চরাশি। |
| মিত্ররাশি | ব্যবহৃত সম্পর্কের নিয়ম অনুযায়ী ওই গ্রহের মিত্র হিসেবে গণ্য রাশি। |
| মূলত্রিকোণ | গ্রন্থে আলাদা নামে উল্লিখিত রাশির একটি শ্রেণি। |
| স্বনবাংশ | গ্রহটির অধীন কোনো রাশির নামে নবাংশ। |
| স্বরাশি বা স্বক্ষেত্র | যে রাশির অধিপতি ওই গ্রহ। |
ধাপ 2
‘নিজের’ শব্দের দুটি ব্যবহার আলাদা করুন
স্বরাশি গ্রহটির মূল রাশিতে অবস্থান বোঝায়। স্বনবাংশ বোঝায় হিসাব থেকে পাওয়া নবাংশে অবস্থান। প্রথম অধ্যায়ের টীকায় একই নামের রাশি ও নবাংশের অধিপতি একই বলা হয়েছে। তাই সিংহ নামের নবাংশ সূর্যের। শুধু কোনো নবাংশে অবস্থান করলেই সেটি গ্রহটির স্বনবাংশ হয় না।
ধাপ 3
পরিচয়গুলি কীভাবে একসঙ্গে থাকতে পারে, দেখুন
দ্বিতীয় অধ্যায়ের টীকায় মেষকে সূর্যের উচ্চরাশি এবং সিংহকে তার মূলত্রিকোণ বলা হয়েছে। সূর্যকে সিংহের অধিপতিও বলা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, গ্রন্থে একই রাশির জন্য দুটোই বলা হলেও মূলত্রিকোণ ও স্বরাশি আলাদা পরিচয়।
ধাপ 4
প্রতিটি পরিচয়ের ভিত্তি লিখে রাখুন
জন্মকুণ্ডলীর কোনো তথ্যের জন্য রাশি, তার অধিপতি এবং নবাংশ আলাদা করে লিখুন। অতিরিক্ত কোনো পরিচয় কোন সূত্র বা সম্পর্কের নিয়ম থেকে এসেছে, তা চিহ্নিত করুন। আপেক্ষিক মানের জন্য টীকায় অন্য অংশের উল্লেখ আছে; শুধু পাঁচটি নাম দেখে নম্বর যোগ করা বা শর্তগুলির ক্রম নির্ধারণ করা যায় না।
এই লেখায় উল্লিখিত অংশগুলির শ্রেণিবিভাগ বোঝানো হয়েছে। এখানে গ্রহের সম্পূর্ণ শক্তির নম্বর গণনা করা হয় না।