সংক্রান্তি বলতে কী বোঝায়
সূর্য যে মুহূর্তে পরের রাশিতে প্রবেশ করে, সেটিই সংক্রান্তি। এই প্রথাগত গণনায় ওই সীমানা থেকে আরেকটি সৌরমাস শুরু হয়।
ধাপ 1
রাশিতে প্রবেশগুলি গুনুন
রাশিচক্রে ৩০° করে বারোটি রাশি আছে। পুরো একবার ঘুরতে সূর্য বারোবার নতুন রাশিতে প্রবেশ করে। কোনো প্রবেশ নির্ধারণের আগে দেখুন, পঞ্জিকাটি কোন রাশিচক্রের পদ্ধতি ব্যবহার করছে।
ধাপ 2
একটি উদাহরণ হিসাব করুন
সূর্য মীনের ২৯°৫৯′-এ থাকলে মেষে পৌঁছাতে এক কৌণিক মিনিট বাকি। মেষের ০°-এ মেষ সংক্রান্তি শুরু হয়। মোট দ্রাঘিমা ৩৫৯°৫৯′ থেকে ৩৬০°-এ যায়, যা আবার ০° হয়। ঠিক সীমানাটি মেষের মধ্যে পড়ে। এখানে কৌণিক মিনিট কোণ মাপছে, ঘড়ির এক মিনিট নয়।
ধাপ 3
নিরয়ণ না সায়ন, যাচাই করুন
নিরয়ণ পঞ্চাঙ্গে নিরয়ণ রাশির সীমানা ব্যবহার করা হয়। ডিসেম্বরের অয়নান্ত সায়ন দ্রাঘিমার ২৭০°-এ নির্ধারিত। বর্তমানে এই দুই পদ্ধতির শুরুর স্থান আলাদা। তাই আধুনিক মকর সংক্রান্তি এবং ডিসেম্বরের অয়নান্তকে একই ক্যালেন্ডারের তারিখ ধরা যায় না।
ধাপ 4
প্রকাশিত সময় দেখুন
পরের রাশিতে প্রবেশের আগে কত কোণ বাকি, তা জানতে বর্তমান রাশিতে সূর্যের ডিগ্রি ৩০° থেকে বাদ দিন। ঘড়ির সময় জানতে সেই বছরের পঞ্জিকা দেখুন এবং সময় অঞ্চল ও রাশিচক্রের পদ্ধতি যাচাই করুন। প্রতি বছর একই তারিখ ধরে নেওয়ার বদলে প্রকাশিত প্রবেশের সময় ব্যবহার করুন।