জন্মকুণ্ডলীতে হোরা কী বোঝায়
এই পদ্ধতিতে হোরা হলো একটি রাশির দুটি ১৫ ডিগ্রির অর্ধাংশের একটি, যা সূর্য অথবা চন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত।
ধাপ 1
প্রতিটি রাশিকে অর্ধেক করুন
প্রতিটি রাশি ৩০ ডিগ্রি চওড়া। প্রথম হোরা ০° থেকে শুরু হয়ে ১৫°-এর ঠিক আগে শেষ হয়। দ্বিতীয়টি ১৫° থেকে শুরু হয়ে ৩০°-এর আগে শেষ হয়। ঠিক ১৫° দ্বিতীয় অর্ধাংশের মধ্যে পড়ে; ৩০°-এ পরের রাশি শুরু হয়। বারোটি রাশিতে মোট ২৪টি অর্ধাংশ থাকে।
ধাপ 2
বিজোড় ও জোড় রাশি চিহ্নিত করুন
মেষকে এক নম্বর ধরুন। বিজোড় রাশিগুলি হলো মেষ, মিথুন, সিংহ, তুলা, ধনু ও কুম্ভ। জোড় রাশিগুলি হলো বৃষ, কর্কট, কন্যা, বৃশ্চিক, মকর ও মীন।
ধাপ 3
সূর্য ও চন্দ্রের ক্রম প্রয়োগ করুন
বিজোড় রাশিতে প্রথম অর্ধাংশ সূর্যের হোরা এবং দ্বিতীয় অর্ধাংশ চন্দ্রের হোরা। জোড় রাশিতে ক্রমটি উল্টো: আগে চন্দ্র, পরে সূর্য। বেছে নেওয়ার আগে রাশির নম্বর ও ডিগ্রি দুটিই যাচাই করুন।
ধাপ 4
দুটি উদাহরণ মিলিয়ে দেখুন
সিংহের ২০°-এ থাকা গ্রহ একটি বিজোড় রাশির দ্বিতীয় অর্ধাংশে রয়েছে, তাই এটি চন্দ্রের হোরায় পড়ে। বৃষের ১০°-এ থাকা গ্রহ একটি জোড় রাশির প্রথম অর্ধাংশে, সেটিও চন্দ্রের হোরা। অন্য একটি রাশি ও ডিগ্রি বেছে নিয়ে তার সূর্য বা চন্দ্রের হোরা নির্ধারণ করুন।
এই লেখায় রাশির অর্ধাংশ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। গ্রহ-হোরা অনুযায়ী দিনের ঘণ্টা গণনা একটি আলাদা বিষয়।