বৃহৎ জাতকে গ্রহের দৃষ্টি কীভাবে গোনা হয়
টীকায় কোনো গ্রহের নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে মাপা কোণ দিয়ে দৃষ্টি বোঝানো হয়েছে। এই সংস্করণের শুরুর স্থান, সাধারণ দৃষ্টির ভগ্নাংশ এবং বিশেষ পূর্ণদৃষ্টি জানুন।
ধাপ 1
গ্রহের ডিগ্রি থেকে গুনুন
গ্রহের নির্দিষ্ট দ্রাঘিমাকে শুরুর বিন্দু A ধরুন। ওই বিন্দুটিকে প্রথম অবস্থান ধরে রাশিচক্রের ক্রমে ৩০° করে এগোন। তৃতীয় অবস্থান A থেকে ৬০° দূরে; সপ্তম অবস্থান A থেকে ১৮০° দূরে। এই গণনা গ্রহ থেকে শুরু হয়, লগ্ন থেকে নয়।
ধাপ 2
সাধারণ দৃষ্টির অবস্থান পড়ুন
শ্লোকটিতে সাতটি কৌণিক অবস্থানের জন্য দৃষ্টির ভগ্নাংশ দেওয়া আছে। এখানে ‘দৃষ্টি’ ওই কোণগুলির জন্য গ্রন্থে ব্যবহৃত শ্রেণিবিভাগ।
| গ্রহ থেকে অবস্থান | A থেকে কোণ | দৃষ্টির অংশ |
|---|---|---|
| তৃতীয় | 60° | ¼ |
| চতুর্থ | 90° | ¾ |
| পঞ্চম | 120° | ½ |
| সপ্তম | 180° | পূর্ণ |
| অষ্টম | 210° | ¾ |
| নবম | 240° | ½ |
| দশম | 270° | ¼ |
ধাপ 3
বিশেষ পূর্ণদৃষ্টি প্রয়োগ করুন
নিচের অবস্থানগুলিতে সাধারণ ভগ্নাংশের বদলে পূর্ণদৃষ্টি ধরা হয়। এই গ্রহগুলির প্রত্যেকটির সপ্তম দৃষ্টিও পূর্ণ থাকে।
| গ্রহ | গ্রহ থেকে অবস্থান | A থেকে কোণ |
|---|---|---|
| শনি | তৃতীয় ও দশম | 60° ও 270° |
| বৃহস্পতি | পঞ্চম ও নবম | 120° ও 240° |
| মঙ্গল | চতুর্থ ও অষ্টম | 90° ও 210° |
ধাপ 4
একটি উদাহরণ ও তার বিস্তার দেখুন
শনি মেষের ১০°-এ থাকলে পূর্ণদৃষ্টির কেন্দ্রগুলি হলো মিথুনের ১০°, তুলার ১০° এবং মকরের ১০°। টীকায় প্রতিটি কেন্দ্রের দুই দিকে ১৫° করে বিস্তার ধরা হয়েছে। তুলার ১০°-এর ক্ষেত্রে তা কন্যার ২৫° থেকে তুলার ২৫° পর্যন্ত। বিশেষ দৃষ্টির ক্ষেত্রেও টীকায় একই বিস্তার প্রযোজ্য বলা হয়েছে।
এটি এই সংস্করণের টীকায় বর্ণিত কৌণিক পদ্ধতি। ভগ্নাংশ ও বিস্তার জন্মকুণ্ডলীর প্রথাগত সংজ্ঞা, কোনো বাস্তব ভৌত প্রভাবের মাপ নয়।